আরমান রশিদ
যদি জানতো নারীগণ, পর্দায় আছে কত সৌন্দর্য লুকিয়ে,
তবে প্রতিটি মুসলিম কন্যাই পর্দায় রাখিতো নিজেকে সাজিয়ে।
ইসলাম যে সম্মান দিয়েছে পর্দাশীল নারীর প্রাণে,
জানলে বেপর্দার অবহেলা থাকতো নাকো কোন নারীর মনে।
বেপর্দায় সম্মান থাকে না, থাকে শুধু দৃষ্টির খেলা,
ইজ্জতের নামে হয় অবমাননা, মর্যাদার হয় অবহেলা।
আর পর্দা—সে তো ঢাল, সে তো সম্মানের প্রাচীর,
নারীর আত্মমর্যাদার সবচেয়ে শক্তিশালী শির।
যারা পর্দা করেও করতে চেয়েছিলো পর্দার অপমান,
দিন শেষে তারাই বুঝেছে পর্দার প্রকৃত সম্মান।
ফিরেছে তারা ইমানের-সহিত, ফিরেছে সঠিক পথে,
পর্দা আজ গর্ব তাদের গভীর বিশ্বাসের সাথে।
মর্ডান হতে গিয়ে হারিয়েছো নিজেদের ইজ্জত,
পর্দা করে দেখো একবার—ফিরে আসবে আত্মসম্মান নিশ্চিত।
ইসলাম দিয়েছে নারীকে মর্যাদার মুকুট,
অন্য ধর্ম কি দিয়েছে এমন নিরাপদ দুর্গকুট?
তুমি মুসলিম ঘরের মেয়ে হয়ে কেন অন্যের পথে?
খোলামেলা পোশাকে কি আছে প্রকৃত মর্যাদার অর্থ?
এখনো সময় আছে, ফিরে এসো পবিত্রতায়,
পর্দায় ফিরেই দেখো সম্মান কেমন করে ঝরে আকাশ ছায়ায়।
যে চোখ একদিন পোশাকে খুঁজতো লোভের ভাষা,
আজ সেই চোখেই আছে সম্মানের নিঃশব্দ আশা।
তখন তুমি নিজেই বুঝবে, কোনটা ছিলো বেশি দামি—
বেপর্দার অশ্লীলতা, না পর্দার পবিত্রতা বেশি দামি?


3 comments:
অসাধারণ😇🌸🫶
প্রতিটা লাইন যেন মনে হচ্ছে একএকটা আগুন❤️🔥❤️🔥
অসাধারণ
Post a Comment