Tuesday, 14 April 2026

ভালোবাসা


ভালোবাসা
আরমান রশিদ

মন যাকে ভালোবাসতে চায়,
ভোরের স্বপ্নে তাকেই দেখা যায়।
নিঃশব্দ রাতে তারই নাম বেজে যায়,
ঠোঁটের কাছে তারই নাম ভেসে যায়।

দিনের ভিড়ে শত মানুষের মাঝে,
চোখ শুধু তাকে খুঁজেই ফিরে যায়।
অকারণ হাসি, অকারণে ভাবের মাঝে,
মনের গোপন দরজা হঠাৎ খুলে যায়।

দূরে থাকলেও অদৃশ্য সুতায়
হৃদয় তার দিকেই বাঁধা রয়।
মন যাকে ভালোবাসতে চায়,
জীবনের প্রতিটি স্বপ্নে সে-ই রয়ে যায়।

Monday, 13 April 2026

নব্বইয়ের প্রেমে প্রত্যাবর্তন




নব্বইয়ের প্রেমে প্রত্যাবর্তন
আরমান রশিদ 

প্রেম আসে, প্রেম যায়,
সময়ের স্রোতে বদলে যায় তার রঙ,
তবু আমি এ যুগের প্রেমে নই বিশ্বাসী,
কারণ এখানে ভালোবাসা যেন ক্ষণিক ঢঙ।

আজকের প্রেমে শব্দ বেশি, অনুভব কম,
প্রতিশ্রুতির ভিড়ে নেই গভীরতা,
শরীরের উষ্ণতাই যেখানে প্রধান,
মন থাকে অবহেলায় নীরবতা।

তাই চাই না এই সময়ের ভালোবাসা,
চাই ফিরুক নব্বই দশকের দিন,
একটি চিঠিতেই জাগুক স্বপ্ন,
একটি অপেক্ষায় হোক রঙিন চিরদিন।

আমি তোমাকে ভালোবাসতে চাই সেই ছন্দে,
যেখানে স্পর্শের আগে মন ছোঁয়া,
যেখানে বিশ্বাসই ছিল মূল বন্ধন,
আর সমর্পণ ছিল ভালোবাসার বোনা।

Friday, 10 April 2026

কবিদের জীবন


কবিদের জীবন
আরমান রশিদ 

কবিদের জীবনে প্রেম আসে-যায়,
ক’জন-ই বা চিরকাল পাশে রয়ে যায়?
হৃদয়ের অন্ধকারে হঠাৎ আলো জ্বালায়,
তারপর সেই আলোর দিকেই ছায়া বাড়ায়।

হাত ছুঁয়ে প্রতিশ্রুতির নরম উচ্চারণ,
সময়ের কাছে এসে নীরবতায় হারায়।
কত নাম লেখা থাকে ডায়েরির পাতায়,
শেষে শুধু কালির দাগটুকুই পড়ে রয়।
 
চোখের ভেতর যে স্বপ্ন নদী বয়ে যায়,
তীরভাঙা জলে সব ঠিকানাই ভেসে যায়।
কবি শুধু বসে থাকে শব্দের পাশে,
মানুষগুলো একে একে দূরে সরে যায়।

শেষরাতে প্রশ্নটি আবার ফিরে আসে—
প্রেম কি সত্যিই থাকে, নাকি কেবলই যায়?

Wednesday, 8 April 2026

নব্বইয়ের প্রেম


নব্বইয়ের প্রেম
আরমান রশিদ

এ শহরে চোখে চোখে আর গল্প জন্মায় না,
স্পর্শের আগেই সম্পর্ক শেষ, মনটা ধরা পড়ে না।
ভালোবাসা আজ দ্রুত, সময়ের চেয়েও ক্ষণিক,
মনের চেয়ে দেহ আগে, আবেগ থাকে শূন্য-নির্জনিক।

হাসির আড়ালে লুকায় কত চাওয়া-পাওয়ার হিসাব,
কথার ভেতর মেশানো থাকে অদৃশ্য কোনো চাপ।
প্রেম এখন ছবি তোলা, স্ট্যাটাস আর দেখানো,
ভেতরে ভেতরে সম্পর্ক শুধু টিকে থাকার মানানো।

অথচ একদিন প্রেম ছিল চিঠির নরম কাগজে,
অপেক্ষা ছিল বিকেলের রোদে, জানালার সাজে।
একটু দেখা মানেই হৃদয়ে ঢেউ উঠত চুপে,
একটি নামই যথেষ্ট ছিল সারারাতের রূপে।

লজ্জা মাখা চোখের ভেতর সত্যি বাসা বাঁধত,
অল্প ছোঁয়ায় সারা শরীর কেঁপে উঠত নিঃশব্দ।
কথা কম, বিশ্বাস বেশি— এটাই ছিল নিয়ম,
ভালোবাসা মানে ছিল এক জীবনের স্বীকারোক্তি, অনন্ত সংযোগ।

আজও তাই এই সরল মন ভিড়ের মাঝেও একা,
খোঁজে সেই ধীর প্রেম, যেখানে ছিল না ফাঁকা।
যৌনতার শহরে প্রেম যখন মাংস বিলাসী,
হতভাগা মন সেই নব্বই দশকের প্রেমে বিশ্বাসী।

নব্বই দশকের দুপুর


নব্বই দশকের দুপুর
আরমান রশিদ 

নব্বই দশকের সেই নরম দুপুরে,
রোদে ভাসে কাঁচা আমের মিঠে গন্ধ।
তুমি গেলে পথ ধরে, লাজুক সুরে,
বুকের ভেতর জাগে অচেনা এক আনন্দ।

চোখে চোখ পড়িলে থমকে যেত পথ,
কথা বলতে গিয়ে কাঁপিয়া উঠিত ভাষা।
দূর হতে দেখাই ছিল গোপন রত্ন-সদৃশ রথ,
নীরবতার মাঝেই গভীর প্রেমের আশা।

স্কুল ছুটির পরে দাঁড়াতাম গোপনে, 
তোমার বাড়ির মোড়ের কাঁঠালগাছের কোনে।
হৃদয় লিখত তোমার নাম নীল খাতায় গোপনে,
স্বপ্নেরা ভাসিত সন্ধ্যার আলোর প্রাণে।

ডাকপিয়নের ব্যাগে লুকানো চিঠি, 
নীল কাগজে কাঁপা অক্ষর সারি সারি।
একটি শব্দ “ভালো আছি” পেলেই ভরেওঠে মন,
হতো সারা সপ্তাহ জুড়ে আলোর ধারা ভারী। 

স্পর্শহীন প্রেম ছিল নির্মল নীর, 
লুকিয়ে দেখা মানেই ছিল মনের উৎসব।
সেই দুপুর আজও হৃদয়ে রয়েছে স্থির, 
সময় বদলায় শুধু, বদলায় না সেই তীর।

Tuesday, 7 April 2026

সাদিয়া খালিদ রীতি: সমকালীন কণ্ঠের এক উজ্জ্বল উপস্থিতি


সাদিয়া খালিদ রীতি: সমকালীন কণ্ঠের এক উজ্জ্বল উপস্থিতি
আরমান রশিদ


একজন তরুণী কীভাবে আত্মবিশ্বাস আর পরিশ্রম দিয়ে গণমাধ্যমে নিজের আলাদা পরিচয় গড়ে তোলে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে যে নামটি সামনে আসে, তিনি হলেন সাদিয়া খালিদ রীতি। সমকালীন গণমাধ্যমে সক্রিয় এই তরুণ ব্যক্তিত্ব উপস্থাপনা দক্ষতা, স্পষ্ট উচ্চারণ এবং আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতির মাধ্যমে অল্প সময়েই নিজের একটি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছেন।

রীতির পরিচয়ের মূল ভিত্তি তার যোগাযোগ দক্ষতা। ক্যামেরার সামনে তার সাবলীলতা এবং পরিমিত অভিব্যক্তি তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে। উপস্থাপনার সময় তিনি কেবল স্ক্রিপ্ট পড়েন না, বরং বিষয়বস্তুকে নিজের মতো করে গ্রহণ করে দর্শকের সামনে উপস্থাপন করেন। ফলে তার কথা বলার ভঙ্গিতে থাকে স্বাভাবিকতা এবং আন্তরিকতা।

তার ব্যক্তিত্বে একটি ভারসাম্য লক্ষ করা যায়—আত্মবিশ্বাস আছে, তবে অতিরঞ্জন নেই; দৃঢ়তা আছে, তবে অহংকার নেই। এই সংযমই তাকে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।

সাদিয়া খালিদ রীতি বিভিন্ন মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে উপস্থাপনা ও কনটেন্টভিত্তিক কাজে যুক্ত। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট উপস্থাপন এবং জনসম্পৃক্ত কার্যক্রমে তার অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।

তার দক্ষতার কয়েকটি দিক উল্লেখযোগ্য: স্পষ্ট ও শুদ্ধ উচ্চারণ, ক্যামেরা-ফ্রেন্ডলি বডি ল্যাঙ্গুয়েজ, তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেওয়ার সক্ষমতা, বিষয় অনুযায়ী টোন ও অভিব্যক্তি পরিবর্তনের ক্ষমতা। এই গুণগুলো একজন সফল উপস্থাপকের জন্য অপরিহার্য, এবং রীতির ক্ষেত্রে সেগুলোর সুস্পষ্ট প্রয়োগ দেখা যায়।

বর্তমান সময়ের গণমাধ্যম কেবল টেলিভিশন বা মঞ্চকেন্দ্রিক নয়; ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মও সমান গুরুত্বপূর্ণ। রীতি এই বাস্তবতাকে বুঝে নিজেকে সময়োপযোগীভাবে উপস্থাপন করেছেন। তার কনটেন্টে থাকে আত্মপ্রকাশ, পেশাগত সচেতনতা এবং সমসাময়িক বিষয় নিয়ে ভাবনা।

তরুণ প্রজন্মের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতার একটি বড় কারণ হলো তার স্বাভাবিক ও সংযুক্ত উপস্থিতি। তিনি নিজেকে এমনভাবে তুলে ধরেন, যাতে দর্শক দূরত্ব অনুভব না করে।

সাদিয়া খালিদ রীতির পথচলা একটি বার্তা দেয়—মিডিয়ায় জায়গা করে নিতে কেবল পরিচিতি নয়, প্রয়োজন ধারাবাহিক চর্চা, আত্মবিশ্বাস এবং পেশাদার মনোভাব। যারা উপস্থাপনা, গণমাধ্যম বা কনটেন্ট ক্রিয়েশনে আগ্রহী, তাদের জন্য তার কাজ একটি বাস্তব উদাহরণ।

সাদিয়া খালিদ রীতি নতুন প্রজন্মের এমন একটি মুখ, যিনি প্রমাণ করেছেন যে পরিকল্পিত পরিশ্রম এবং নিজস্ব স্টাইল থাকলে গণমাধ্যমে স্থায়ী অবস্থান তৈরি করা সম্ভব। তার যাত্রা এখনও চলমান, এবং ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত পরিসরে তাকে দেখা যাবে—এমন প্রত্যাশা করাই স্বাভাবিক।


Sunday, 5 April 2026

ভালোবাসার পরিমাপ


ভালোবাসার পরিমাপ
আরমান রশিদ

আমি তোমাকে যে পরিমাণ যত্ন নিয়ে ভালোবেসেছি,
সেই পরিমাণ যত্ন দিয়ে নিজেকেও ভালোবাসিনি। 
তোমার সামান্য কষ্টে যেমন অস্থির হয়ে উঠেছি, 
নিজের ব্যথাগুলো নিয়ে তেমন করে কখনো ভাবিনি।

তোমার জন্য রাত জেগে স্বপ্ন বুনেছি,
নিজের স্বপ্নগুলোকে রেখেছি অন্ধকারে।
তোমার হাসি দেখার জন্য সব ভুলেছি,
নিজের কান্নাগুলো গোপন করেছি আধারে।

তোমার পথের কাঁটা সরাতে গিয়ে,
নিজের পায়ে কাঁটা বিঁধেছে কতবার।
তবুও থামিনি, ফিরেও তাকাইনি,
কারণ তোমাকেই ভেবেছি আমার সংসার।

আজ বুঝি, ভালোবাসা যদি সত্যি হয়,
তবে তাতে নিজের জন্যও একটু জায়গা রাখে।
যে হৃদয় অন্যকে এতটা আপন করে,
সে হৃদয় তো একদিন নিজেকে আপন করতে শেখে।

তাই যদি কখনো ক্লান্ত হয়ে পড়ি,
জেনে রেখো, সেটা ভালোবাসা কমে যাওয়ার জন্য নয়।
শুধু শিখছি, তোমাকে কেমনে আগলে রাখতে পারি,
নিজেকেও তেমন ভাবে ভালোবাসতে হয়।

Saturday, 4 April 2026

Friday, 3 April 2026

সম্পর্কের সত্য


সম্পর্কের সত্য
আরমান রশিদ 


যে ভুলে থাকতে চায়,
তাকে ভুলে থাকতে দাও।
যে তোমাকে আপন করে নিতে চায়,
তাকে আপন করার আগে ভালো করে চিনে নাও।

যে দূরে সরে যেতে চায়,
তার পথে বাধা দিও না।
জোর করে রাখা সম্পর্ক,
কখনো সত্যি হয় না।

যে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেয়,
তার কাজে সত্য খুঁজে নাও।
শুধু মিষ্টি কথায় ভেসে নয়,
সময় নিয়ে হৃদয় চিনে নাও।

যে সত্যিই তোমায় চায়,
সে অপেক্ষা করতে জানে।
ভালোবাসা তাড়াহুড়ো নয়,
তা টিকে থাকে বিশ্বাসের টানে।

যে কষ্টের সময় পাশে থাকে,
তাকেই আপন ভাবো।
সুখের ভিড়ে অনেকেই আসে,
দুঃখে কয়জন কে তুমি পাও?

যে সম্মান করতে শেখে,
সে-ই ভালোবাসতে পারে।
ভালোবাসা শুধু অনুভূতি নয়,
দায়িত্বও থাকে তার মাঝে।

যে তোমার স্বপ্ন বুঝতে চায়,
তার হাত ধরে নাও।
কারণ সত্যিকারের মানুষ,
সহজে খুঁজে পাবে না কভু।

Wednesday, 1 April 2026

অপূর্ণ কপালের প্রেম


অপূর্ণ কপালের প্রেম
আরমান রশিদ 

“প্রেম সবার কপালে আসলেও,
আমার কপালে আসে না।”
এই কথাটা বলতে বলতে কখন যে
চোখ ভিজে যায়, বুঝতেও পারি না।

দেখি, কারও হাত ভরে থাকে প্রতিশ্রুতিতে,
কারও নামে লেখা থাকে নীল চিঠি,
আর আমার রাতগুলো শুধু জানে—
কতবার বালিশ ভিজিয়েছি নিঃশব্দের বিরহে।

আমি তো কাউকে অর্ধেক ভালোবাসিনি,
সবটুকুই দিয়েছি নির্ভেজাল বিশ্বাসে,
তবু কেন আমার নামটা বাদ পড়ে যায়—
সব সুখের তালিকা আর উৎসবের আভাসে?

কপাল কি সত্যিই এত নিষ্ঠুর হয়?
নাকি আমি ভুল সময়ের মানুষ?
যার হৃদয়ে ঢেউ ওঠে প্রবল,
কিন্তু তীরে আসে না কোনো পরম-স্পর্শ।

রাতে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ভাবি,
আমার চোখে কি কম স্বপ্ন ছিল?
নাকি ভালোবাসার দেবতা—
আমার ঠিকানাটা ইচ্ছে করেই ভুলে গেল?

তবুও ভেতরে কোথাও এক টুকরো আশা—
ভাঙা হৃদয়ের ধ্বংসস্তূপে জ্বলে,
হয়তো একদিন কেউ বলবে ধীরে,
“এতদিন তোমাকেই খুঁজেছি পথের মাঝে।”

সেদিন যদি সত্যিই আসে,
আমি আর অভিযোগ করবো না ভাগ্যের কাছে—
বলবো, দেরি হলেও এসেছো তুমি,
এই হৃদয় আজও তোমারই অপেক্ষায় আছে।

Tuesday, 31 March 2026

রক্তজবার প্রেমকাব্য


রক্তজবার প্রেমকাব্য
আরমান রশিদ 

বাগানের কোণে ফুঁটেছে রক্তজবা লাল,
তোমায় দেখে জেগে উঠল হৃদয়েরই জ্বলন্ত জাল।
পাপড়ির ভাঁজে রঙ যেন আগুনের ছোঁয়া,
মনে হলো প্রেম বুঝি এমনই গভীর ছোঁয়া।

তুমি এলে ধীরে নীরব সেই পথ ধরে,
হাওয়াও থেমে রইল তোমার মায়ার ঘোরে।
চোখে চোখ পড়তেই কেঁপে উঠল মন,
রক্তজবার রঙে লিখল প্রেমের প্রথম সন্ধিক্ষণ।

তোমার হাসি ছিল ভোরের আলোর মতো,
নরম সেই আলোয় হৃদয় হলো ব্যাকুল যত।
রক্তজবার পাপড়ি দুলে দুলে বলে,
ভালোবাসা জন্ম নেয় নীরব হৃদয়তলে।

হাতের কাছে যখন এলে তুমি ধীরে ধীরে,
অচেনা অনুভূতি জেগে উঠল আমারই অন্তরে।
রক্তজবার মতোই হলো লাল সেই আবেগ,
হৃদয়ের ভেতর জ্বলে উঠল রঙিন প্রেমের আবেগ।

সময়ের স্রোতে দিন যাবে অনেক দূর,
বদলে যাবে পথ, বদলে যাবে সুর।
তবু সেই বিকেল, সেই লাল ফুলের ছবি,
মনের আকাশে ভেসে উঠবে সেই সুন্দর ছবি।

কারণ কিছু প্রেম ফুলের মতো ঝরে নাহি কখনও,
স্মৃতির ভেতর বেঁচে থাকে গোপনে এখনও।
রক্তজবার প্রেমকাব্য রয়ে যায় তাই,
হৃদয়ের গভীরে লাল আলো হয়ে জ্বলে সর্বদাই।

Saturday, 28 March 2026

অপেক্ষার নাম তুমি


অপেক্ষার নাম তুমি
আরমান রশিদ 



আমি প্রেমে পড়েছিলাম সেই দুটি চোখের,
যে চোখ আমার দিকে তাকায়নি কখনো।
তবুও হৃদয় বেঁধেছি নীরব শপথের শোকে,
তোমাকেই ভেবে কাটিয়েছি প্রতিটি ক্ষণও।

তোমার না-বলা কথার ভেতর খুঁজেছি ভাষা,
নীরবতার ভাঁজে এঁকেছি স্বপ্নের ছবি।
তুমি ছিলে দূরের তারা, ছোঁয়ার বাইরে আশা,
তবু তোমাকেই ভেবে জেগেছে মনে সকল আশা।

হয়তো কোনোদিন বুঝবে না এই ব্যথা,
কতটা গভীর ছিল অব্যক্ত অনুভব।
তবু তোমার নামেই লিখেছি প্রতিটি কথা,
তোমার স্মৃতিই আমার একমাত্র ব্যাথা।

তাই বলি, তুমি না চাইলে হোক না দূরে,
আমি থাকবো তোমারই নীরব প্রহরী হয়ে।
ছিলাম, আছি, থাকবো অনন্ত সুরে,
ভালোবাসা বাঁচে শুধু অপেক্ষার পরিচয়ে।

Sunday, 15 March 2026

তোমার জন্য


তোমার জন্য
আরমান রশিদ 


তোমার চোখের দিকে তাকিয়ে,
আমি হারিয়ে যাই প্রেমের সাগরে।
তোমার হাসিতে আমার দিন শুরু,
তোমার ছোঁয়ায় আমার জীবন পূর্ণ।

তোমার জন্য আমার হৃদয় কাঁদে,
তোমার জন্য আমার প্রাণ চায়।
তোমাকে ছাড়া আমি কিছুই না,
তুমি আমার সব, আমার প্রাণের প্রিয়া।

তোমার ভালোবাসায় আমি বেঁচে আছি,
তোমার ছোঁয়ায় আমি জেগে উঠি।
তোমার জন্য আমার হৃদয় গায়,
একটি গান, তোমার জন্য।

তোমার পথে আমি হাঁটবো সারাজীবন,
তোমার হাত ধরে পার করবো প্রতিটি দিন।
তোমার ভালোবাসায় আমি পূর্ণ,
তুমি আমার সব, আমার প্রাণের প্রিয়।

তোমার স্মৃতি আমার সাথে থাকে,
তোমার ছবি আমার হৃদয়ে আকে।
তোমার জন্য আমার হৃদয় অপেক্ষা করে,
তোমার জন্য আমার প্রাণ কাঁদে।

তোমার ভালোবাসায় আমি শক্তি পাই,
তোমার ছোঁয়ায় আমি জীবন পাই।
তোমার জন্য আমার হৃদয় গায়,
একটি গান, তোমার জন্য।

তোমার পথে আমি হাঁটবো সারাজীবন,
তোমার হাত ধরে পার করবো প্রতিটি দিন।
তোমার ভালোবাসায় আমি পূর্ণ,
তুমি আমার সব, আমার প্রাণের প্রিয়।

তোমার জন্য আমার হৃদয় কাঁদে,
তোমার জন্য আমার প্রাণ চায়।
তোমাকে ছাড়া আমি কিছুই না,
তুমি আমার সব, আমার প্রাণের প্রিয়া।

তোমার ভালোবাসায় আমি বেঁচে আছি,
তোমার ছোঁয়ায় আমি জেগে উঠি।
তোমার জন্য আমার হৃদয় গায়,
একটি গান, তোমার জন্য।

তোমার পথে আমি হাঁটবো সারাজীবন,
তোমার হাত ধরে পার করবো প্রতিটি দিন।
তোমার ভালোবাসায় আমি পূর্ণ,
তুমি আমার সব, আমার প্রাণের প্রিয়। 

Friday, 13 March 2026

কবির জন্ম


কবির জন্ম
আরমান রশিদ 


কবি কি সবাই হতে পারে? না, পারে না সবাই,
প্রেমহীন শূন্য হৃদয়ে কবিতার আলো নাই।
যার মনে ভালোবাসার ঢেউ নীরবে বয়ে যায় তাই,
সেই হৃদয়ের নীরবতায় কবিতার জন্ম হয় ভাই।

প্রকৃতির রূপ যে দেখে মুগ্ধ বিস্ময় ভরে,
বাতাসেরও অচেনা সুর শুনে অন্তর গোপনে।
নদীর ঢেউ, মেঘের ভেলা ডাকে তাকে ঘুরে ফিরে,
সেই ডাকে সাড়া দিয়েই শব্দ জাগে গোপনে।

কখনো প্রেমে ডুবে যায়, কখনো ভাঙে মন,
বিশ্বাসভাঙা কষ্ট এসে বুকের ভিতর রয়।
প্রিয় মানুষের ছলনায় কাঁদে নীরব জীবন,
সেই বেদনাই কবির বুকে নতুন ভাষা কয়।

কবি তার ভালোবাসা সরাসরি বলতে নাহি চায়,
শব্দ দিয়ে গড়ে তোলে অমর স্মৃতির ঠাঁই।
তার অনুভব সময় পেরিয়েও হারিয়ে নাহি যায়,
মানুষ পড়ে সেই গল্প—ভালোবাসার ঠাঁই।

কবি সবাইকে ভালোবাসে নিজের মতো করে,
ভালোবাসাই তার কাছে জীবনের বড় মানে।
যে সৌন্দর্য সে দেখে অন্তরের ওই ঘরে,
সাধারণ চোখে ধরা পড়ে নাকো সেই ভালোবাসার মানে।

Friday, 6 March 2026

Thursday, 5 March 2026

রহমতের স্পর্শ


রহমতের স্পর্শ
আরমান রশিদ

এমন এক রব পেয়েছি আমি আজ,
যিনি জানেন আমার সব ভুলের সাজ।
ভুলের মাঝেও ছড়িয়ে দেন মমতার লাজ,
অন্ধকারে খুঁজে নেন মোদের আওয়াজ।

মানুষ হলে হয়তো বলতো তিক্ত কথা,
আরও বলত—তোর উপর আস্থা রাখিনা তাই।
কিন্তু তিনি তো দেন নীরব স্নেহের ব্যথা,
ফিরে আসতে বলেন, তারই পথে ভাই।

আমি যতবার ভেঙে যাই কাঁচের মতো,
তিনি ততবার জোড়া দেন পানির মতো।
হারিয়ে গেলে ধরেন হাতটা দরেন দ্রুত,
আশার আলো জ্বালিয়ে দেন ততই দ্রুত।

তিনি দয়ালু, সীমাহীন তাঁর দান,
পাপের পরও রাখেন ক্ষমার স্থান।
শাস্তির আগে শোনান রহমতের গান,
কাছে টেনে নিয়ে দান করে সর্বোচ্চ স্থান।


Wednesday, 4 March 2026

কাফনের উপর লেখা অভিযোগ


কাফনের উপর লেখা অভিযোগ
আরমান রশিদ

যতদিন ছিলাম পাশে, বলিনি মনের কথা,
নীরবতার দেয়ালে বেঁধেছি যত ব্যথা।
তুমি যখন ডুবেছিলে অভিমানের ছায়ায়,
আমি ভেবেছি সময় মুছে দেবে মায়ায়।

মাঝরাতে দেখেছি চোখে নীরব জলের রেখা,
তবু দায় স্বীকারে থেকেছি নিঃশব্দ একা।
অদৃশ্য ক্ষত জেগেছিল ভালোবাসার অন্তর,
অবহেলায় তাকে করেছি আরও গভীর অন্তর।

তুমি হেসে বলেছ—সব ঠিক আছে আজ,
আমি বুঝিনি ভিতরে জমেছে নীরব লাজ।
আমার কথার তীর কবে বিদ্ধ করল প্রাণ,
বুঝতে না বুঝতেই নেমে এলো সন্ধান।

আজ বুঝি ভালোবাসা শুধু পাওয়া নয়,
এ এক প্রতিদিনের দায়, অবহেলায় ক্ষয়।
যদি আমার ভুলে থেমে যায় স্বপ্নপথ,
সে থামার দায় দিও আমায় নিঃশর্ত।

যদি আমার কারণে বদলে যায় ভাষা,
সে বদলের ভার দিও আমায় নিরাশা।
শেষ বিদায়ের আগে করি এই মিনতি,
বুকের সব কষ্ট আজ করে দিও মুক্তি।

আমার স্মৃতি যেন না হয় তোমার বোঝা,
বিদায়ের বাতাসে খুলে যাক দরজা।
বছরের পর বছর জমে থাকা ক্ষোভ,
মাটির নিচে দিও আমায়, থামুক রোষ।

আমার উপর যদি তোমার অভিযোগ জমে থাকে প্রিয়—
তাহলে সেই অভিযোগগুলো আমার কাফনের উপর লিখে দিও।

Sunday, 1 March 2026

ফুলের মতন জীবন


ফুলের মতন জীবন
আরমান রশিদ 


বন্ধু শোনো, তোমার জীবন তো ভোরের স্নিগ্ধ ফুল,
কালো ধোঁয়ার চাদরে ঢেকে দিও না তার আলো। 
যত্নের ছোঁয়ায় সে যে হয়ে উঠবে তোমার প্রতিকূল,
অবহেলার কারণে নিভে যাবে যে রঙিন স্বপ্নগুলো।

মিথ্যে সুখের ডাকে ভেসে যেও না বন্ধু আর,
ক্ষণিকের নেশা এনে দিবে দীর্ঘ রাতের কান্না।
অন্ধ গলির শেষে জমে থাকে যে কেবল অন্ধকার,
ভাঙা স্বপ্ন জাগিয়ে তুলবে তোমার ভেতরের কান্না।

তোমার শ্বাসে যে মিশে আছে মায়ের নীরব দোয়া,
বাবার গর্বে তুমি, প্রিয় মুখের গভীর বিশ্বাস।
একটি ভুলে নেমে আসে অশ্রুর নোনা ছোঁয়া,
নিভেয়ে দিবে তোমার হৃদয়ের উজ্জ্বল উল্লাস।

আলোর পথেই চলে দেখ তুমি সর্বদা,
ধোঁয়ার শহর ডাকা যে আছে মিথ্যে মায়ায়।
মিথ্যে রঙ যে ঢেকে ফেলে সত্যকে নির্দয়ভাবে সর্বদা,
ফুল যেমন বাঁচে রোদ-বাতাসের তালে।

তেমনি বাঁচো তুমি স্বপ্নের নির্মল জ্যোতিতে।
ধোঁয়া নয়, সাহস ফুটুক রঙিন পাঁপড়ি মেলে, 
জীবনটাকে শেষ কোরো না মিথ্যে অন্ধকারেতে।
ফিরে এসো বন্ধু, এখনো যে আছে সময়,

Monday, 23 February 2026

ঈদের আনন্দ


ঈদের আনন্দ
আরমান রশিদ

চাঁদ উঠেছে নীল আকাশে রূপালি হাসি ছড়িয়ে,
মনটা যেন দোলে আজি আনন্দধারা জড়িয়ে।
সাজো সাজো নতুন করে স্বপ্নরঙের সাজে,
ঈদ এসেছে ভালোবাসা নিয়ে মোদের হৃদয় মাঝে।

সেহরির রাতের প্রার্থনা আর রোজার ত্যাগ স্মৃতি,
আজকে যেন মিলিয়ে গেছে সব ক্লান্তি আর ক্ষতি।
মিষ্টি সেমাইয়ের গন্ধ ভাসে আপন ঘরের কোণে,
আনন্দ-হাসির রোল উঠেছে সবার প্রাণের সুরে।

নতুন জামার খুশির ছোঁয়া শিশুর চোখে নাচে,
কোলাকুলির উষ্ণতায় মন ভালোবাসার স্বপ্ন খোঁজে।
ভাইয়ে ভাইয়ে ভেদাভেদ ভুলে হাতটা ধরি হাতে,
ঈদ শেখায় মোদের এক হতে সব দুঃখ ভুলে যেতে।

গরিব-দুঃখীদের ভুলো না গো, দাও না তাদের ভালোবাসা,
তাদের মুখে ফুটুক হাসি, কাটুক সকল হতাশা।
দানের মাঝে লুকিয়ে থাকে শান্তির মধুর সুখ,
মানবতার আলো জ্বালিয়ে মুছে দাও সব দুঃখ।

ঈদ মানে শুধু আনন্দ নয়, হৃদয়ের পবিত্র বন্ধন,
ক্ষমা করে নতুন করে গড়ি ভালোবাসার জীবন।
চাঁদের মতো শুভ্র হোক প্রতিটি প্রাণের পথ,
ঈদ মোবারক সবার জন্য; সুখে ভরে উঠুক আগামীর রথ।

Monday, 9 February 2026

তুমি পাশে থাকলে



তুমি পাশে থাকলে
আরমান রশিদ 


তুমি পাশে থাকলে পৃথিবীটা সুন্দর হয়,
অকারণেই মনটা হেসে ওঠে, শান্তিতে ভরে যায়।
তোমার হাসির আলোয় ক্লান্ত দিন জুড়িয়ে যায়,
অন্ধকারের ভেতরেও জীবন রঙিন হয়ে যায়।

হাজার ভিড়ের মাঝেও চিনে নিই তোমার চোখ,
শত মানুষের ছায়ায়ও তুমি আলাদা একলোক।
কিছু মানুষ থাকে, যাদের ভাবলেই শান্তি নামে,
তুমি ঠিক সেই মানুষ, আমার হৃদয়ের নামে।

তোমার নামটা মনে মনে বললেই দিন ভালো হয়,
অজানা এক প্রশান্তিতে মনটা ভেসে যায়।
ভালোবাসা বড় কথা না, ছোট ছোট যত্ন,
নীরব স্পর্শ, মায়ার ভাষা, নির্ভরতার বন্ধন।

তোমার সাথে কথা বললে সময় হারিয়ে যায়,
ঘড়ির কাঁটা থেমে থাকে, মুহূর্ত থমকে দাঁড়ায়।
তুমি আমার জীবনের সেই অধ্যায়ের নাম,
যেটা বারবার পড়তে চাই, শেষ না হওয়া এক প্রেমের গান।

Sunday, 8 February 2026

অপূর্ণ জন্ম


অপূর্ণ জন্ম
আরমান রশিদ 


পূর্ণ জন্ম বলে কিছু নেই—এই জীবনটাই ছিল অবশেষে,
এই জন্মেও তোমাকে পেলাম না, রইলো শুধু ব্যর্থ প্রচেষ্টা।
এক অপূর্ণ অপেক্ষার মাঝে হারিয়ে গেল সবকিছু অবশেষে,
অতৃপ্ত ভালোবাসায় ভরে রইলো আমার নিঃশব্দের প্রচেষ্টা।

ভেবেছিলাম একদিন সব ঠিক হবে, সব হবে ভালো,
ভেবেছিলাম শেষ পর্যন্ত তুমি আমারই হবে।
কিন্তু আমাদের ধর্মে পূর্ণজন্ম নেই—আছে শুধু না-পাওয়ার বেদনা,
এই জন্মের গল্প মানেই, হারিয়ে যাওয়ার দীর্ঘশ্বাস।

ঠকাচ্ছো জেনেও ছেড়ে দিইনি, জানতাম শেষটা হবে আমার হার,
জানতাম তুমি চলে যাবে, তবুও তোমাকে ছাড়তে পারিনি আমার মন।
ভাবতাম অল্প কিছু সুন্দর সময়ই হবে বেঁচে থাকার সমাহার,
এই মুহূর্ত আঁকড়ে ধরেই কাটতে চাই আমি সারাজীবন।

সবাই বলতো থাকবে না, যাবে—আমি মানিনি তাদের কথা,
মনরে বোঝাইতাম, সবাই ভুল—তুমি একমাত্র ব্যাথা।
কত প্রমাণ দেখেও দেখিনি, বুঝিনি মনের ব্যথা,
ভালোবাসার অন্ধ বিশ্বাসই ছিল আমার একমাত্র কথা।

আজ বুঝি আমাদের গল্পটা ছিল না পাওয়ার গান,
ছিল শেখার গল্প, ছিল হারানোর দীর্ঘশ্বাস।
শেষটা জানা ছিল তবুও ছাড়িনি ভালোবাসার টান,
কারণ সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে, আমি পেয়েছি মহাকালের দীর্ঘশ্বাস। 

Friday, 6 February 2026

অপূর্ণতার ধর্ম


অপূর্ণতার ধর্ম
আরমান রশিদ 

পূর্ণ জন্ম বলে কিছু নেই—এই জীবনটাই শেষ আশ্রয়,
এই জন্মেও তোমাকে পেলাম না, রইলো শুধু অপেক্ষা,
এক অপূর্ণ ভালোবাসায় ভরে উঠলো হৃদয়ের আশয়,
না-পাওয়ার গল্প হয়েই বেঁচে থাকলো সব চাওয়া-পাওয়া।

ভেবেছিলাম একদিন সব ঠিক হবে, সব হবে আলো,
ভেবেছিলাম শেষ পর্যন্ত তুমি আমারই হবে আলো,
কিন্তু আমাদের ধর্মে পূর্ণজন্ম নেই—আছে শুধু না-পাওয়ার আলো,
এই জন্ম মানেই অসম্পূর্ণ গল্প, ভাঙা স্বপ্ন, নীরবতার আলো।

ঠকাচ্ছো জেনেও ছেড়ে দিইনি, জানতাম শেষটা হবে আমার হার,
জানতাম তুমি চলে যাবে, তবুও তোমাকে ছাড়তে পারিনি আমার মন,
ভাবতাম অল্প কিছু সুন্দর সময়ই হবে আমার বেঁচে থাকার সমাহার,
এই মুহূর্ত আঁকড়ে ধরেই কাটতো চাই আমি সারাজীবন।

সবাই বলতো থাকবে না, যাবে—আমি মানিনি তাদের কথা,
মনরে বোঝাইতাম, সবাই ভুল—তুমিই একমাত্র ব্যাথা,
কত প্রমাণ দেখেও দেখিনি, বুঝিনি মনের ব্যথা,
ভালোবাসার অন্ধ বিশ্বাসই ছিল আমার একমাত্র কথা।

আজ বুঝি কিছু মানুষ আসে শুধু হারাতে শেখাতে,
কিছু সম্পর্ক জন্মায় শুধু, ভাঙবে বলেই তো জন্মায়,
ভালোবাসা কখনো থাকে নাতো যুক্তির খাতায়,
সে থাকে শুধু হৃদয়ের গভীর কোনে অন্ধকার ছায়ায়।

আর আমি রয়ে গেলাম এক অসমাপ্ত গল্প হয়ে,
এক অপূর্ণ জন্মের অসম্পূর্ণ প্রেমের ব্যাথা হয়ে,
তুমি হলে না আমার, তবুও আমার হয়েই রয়েছো এই হৃদয়ে,
কারণ না-পাওয়ার ভালোবাসাই সবচেয়ে গভীর হয় প্রতিটি হৃদয়ে।